পিভিসি ফার্নিচার তৈরির ব্যাবসা করে মাসে 90000 টাকা আয় করুন

অবস্থাপন্ন ফ্ল্যাট বাড়ির পাশাপাশি নিম্ন মধ্যবিত্ত পরিবারেও ঢুকে পড়েছে পিভিসি ফার্নিচার। পিভিসি’র পুরো নাম পলিভিনাইল ক্লোরাইড। এটি রেজিন বেসড উপাদান। অগ্নি নিরোধক, জল বা, ময়শ্চারাইজার প্রতিরোধক। ওজনে হাল্কা। যে কোনো জায়গায় সহজে ব্যবহার করা যায়। চটপট পরিষ্কার করা যায়। রক্ষণাবেক্ষণে খরচ না হওয়ায় টাকা সাশ্রয় হয়।

জীবন বীমার এজেন্ট হয়ে মাসে ১ লাখ টাকা আয় করুন

পিভিসি হয় বিভিন্ন ডিজাইনের ও নানা শেডের। তার মধ্যে কিছু উল্লেখযোগ্য ডিজাইন হল: ইটালিয়ান মার্বেল, আইভরি গোল্ড,ব্ল্যাক প্যান্থার, ইউরো মার্বেল ইত্যাদি। আর অন্তত ৩০ থেকে ৪০টি রঙের হয়। যেমন, আইভরি গ্রে, স্কাই ব্লু, পেস্তা, পলি ক্রিম, পিঙ্ক।

পিভিসি ফার্নিচার তৈরির ব্যাবসা আয় করুন
পিভিসি ফার্নিচার তৈরির ব্যাবসা আয় করুন
  • পিডিসি’র ব্যবহার:- পিভিসি ব্যবহার করা হয় ঘরের দরজা-জানালা, ফ্রেম, পার্টিশন, ফলস সিলিং, কিচেন ক্যাবিনেট, অফিস ডেকরেশন, পোর্টেবল হাউজ তৈরিতে। এছাড়া যে কোনো আসবাবপত্রে এই শৌখিন সামগ্রীর ব্যবহার হয়। ল্যামিনেটেড ও নন-ল্যামিনেটেড দু’ভাবেই ব্যবহার করা যায়।
  • ব্যবসার জন্য ঘর:- ছোটো কারখানার জন্য ২০০ থেকে ৩০০ বর্গফুটের জায়গা দরকার। তবে শুরুতে লোকবলের দরকার নেই। ব্যবসা বাড়লে লোক লাগবে।
  • কাঁচামাল:- পিভিসি উপাদানে আসবাবপত্র তৈরি করতে মূলত ‘এই তিনটি উপাদান লাগে :প্যানেল, চ্যানেল ও ফ্রেম। যাবতীয় উপাদান এ রাজ্যে আসে মুম্বই, বেঙ্গালউরু আর চেন্নাই থেকে।
  • যন্ত্রপাতি:- যন্ত্রপাতি আর সাজ-সরঞ্জাম বলতে লাগে ড্রিলমেশিন, স্ক্রু ড্রাইভার, বাটালি,হ্যাক স ব্লেড, টেপ, ওলোন আর হাতুড়ি। ড্রিল মেশিন চালানোর জন্য মাত্র ২২০ ভোল্টের বিদ্যুৎ লাগে। যাবতীয় মেশিনারি পাবেন কলকাতার চাঁদনী চকে।
  • কীভাবে তৈরি করবেন:– বিভিন্ন আসবাবের জন্য নানা ডিজাইনের ক্যাটালগ থাকে। তা দেখিয়ে ক্রেতার পছন্দ আর বাজেট জানতে হবে। সেই ডিজাইন অনুযায়ী বিভিন্ন উপাদানের সমন্বয় করে দরজা ও জানালা তৈরি করতে হবে।
  • বিক্রির বাজার:- বিপণন করা যায় দু’ভাবে। সরাসরি বিপণনের জন্য বাড়ির মালিকের কাছে যেতে হবে। এ ধরনের কাজে আসবাব পিছু ২০% থেকে ২৫% লাভ রাখা যায়। পরোক্ষ বিপণনের জন্য প্রোমোটার, ডেভেলপার, হার্ডওয়্যারের দোকান, ফার্নিচারের দোকান আর প্লাইউডের দোকানের সঙ্গে যোগাযোগ করতে হবে।